গ্রিনমাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক সায়েন্স ফেয়ার ২০২৫

গ্রিনমাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে সায়েন্স ফেয়ার ২০২৫ অনুষ্ঠিত।

0
81
Afroza_Begum

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে বিজ্ঞানচর্চায় নতুন অনুপ্রেরণা, অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রশংসা

 

 

গ্রিনমাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সায়েন্স ফেয়ার ২০২৫-এ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শন করছে।  

শো‌য়েব জামান:

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ই ব্লক সংলগ্ন গ্রিনমাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক সায়েন্স ফেয়ার ২০২৫। সকাল থেকেই স্কুল প্রাঙ্গণ মুখরিত ছিল শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের উপস্থিতিতে। আনন্দ, উদ্দীপনা ও বিজ্ঞানচর্চার উচ্ছ্বাসে পরিপূর্ণ এই আয়োজনে প্লে গ্রুপ থেকে গ্রেড ৮ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় তাদের নিজস্ব উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রকল্প নিয়ে।

মেলার উদ্বোধন করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, তিনি বলেন—
“সায়েন্স ফেয়ার শিক্ষার্থীদের অনুসন্ধিৎসা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও বাস্তব জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ শেখার অসাধারণ সুযোগ সৃষ্টি করে। এখানে শিশুরা নিজেদের কল্পনা ও জ্ঞানের প্রয়োগ ঘটাতে পারে, যা ভবিষ্যতের বিজ্ঞানচিন্তাকে এগিয়ে নেবে।”

মেলা প্রাঙ্গণে ঘুরে দেখা যায়, স্কুলের বহিরাঙ্গন সাজানো হয়েছে ছোট ছোট স্টল দিয়ে। প্রতিটি স্টলে ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা নিজেদের উদ্ভাবনী চিন্তার ফসল দর্শকদের সামনে তুলে ধরছে। কেউ দেখাচ্ছে সৌর শক্তিচালিত গাড়ি, কেউ আবার তৈরি করেছে পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র, রোবট বা স্মার্ট গার্ডেন প্রজেক্ট।

অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের এসব সৃজনশীল প্রকল্প ঘুরে দেখে প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে তাদের এমন উদ্যোগকে আরও উৎসাহিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ প্রকল্প উপস্থাপক শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন স্কুলের চেয়ারম্যান মো. তৈয়বুর রহমান। তিনি বলেন-
“শুধু পুঁথিগত জ্ঞান নয়, আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞানের প্রয়োগে দক্ষ হয়ে উঠুক। আজকের ক্ষুদে বিজ্ঞানীরাই একদিন দেশের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের নেতৃত্ব দেবে।”

পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল শিক্ষার্থীদের কৌতূহল, আত্মবিশ্বাস ও বিজ্ঞানমনস্কতার প্রকাশ। মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের তৈরি “ইকো-এনার্জি হাউস” ও “অটোমেটেড সেফটি অ্যালার্ম” প্রজেক্ট, যা দর্শকদের মন জয় করে নেয়।

এই সায়েন্স ফেয়ার শুধুমাত্র একটি প্রতিযোগিতা নয়— বরং এটি ছিল শিক্ষার্থীদের চিন্তা, সৃজনশীলতা ও দলগত কাজের এক সুন্দর মেলবন্ধন। আয়োজন শেষে শিক্ষক ও অভিভাবকেরা একমত হন যে, এমন উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমুখী ও উদ্ভাবনবান্ধব করে গড়ে তুলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here