লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের ১ নং নওদাবাস এলাকায় মৃত্য হোসেন আলীর পুত্র আব্দুল হমিদ,আলাউদ্দিন ও রিয়াজুলের জমি জবর দখল করার পাঁয়তারা করতেছে একই এলাকার মৃত্য হাছেন আলীর পুত্র মিজানুর,আপেল,রব্বানী ও রবিউল গং। আব্দুল হামিদ গংয়ের কবলাকৃত দলিলভুক্ত অবৈধ ভাবে প্রতিপক্ষরা জবর দখল করার চেষ্টা করায় এলাকায় ভুতের মুখে রাম রাম উঠেছে। কবলাকৃত ও দলিলভুক্ত জমির মালিক আব্দুল হামিদ গং জানান, জমির দলির নং ২১৯২ তারিখ ১০/০২/১৯৭৬ জমি ১৯ শতকের মধ্যে বি আর এস খতিয়ান নং ৩০২ দাগ নং ৮৫৩ ডাঙ্গা ৭ শতক, দলিল নং ৪৯১৯ তারিখ ১৮/০৩/১৯৭৪ ইং জমি ১২ শতকের মধ্যে ০৪ শতক, বি আর এস রেকর্ড খতিয়ান নং ৩০২ দাগ নং ৮৬৪ জমি ৪৩ শতকের মধ্যে বি আর এস রেকর্ড ০৪ শতক। বি আর এস খতিয়ান নং ১১২৭ দাগ নং ৭৬৩ জমি ৭ শতকের মধ্যে সাড়ে ৩ শতক,খতিয়ান বি আর এস ১১২১ দাগ নং ৭৭০ জমি ৪৭ শতকের মধ্যে ১২ শতক। বি আর এস খতিয়ান নং ১১২০ দাগ নং ৮১২ ডাঙ্গা ১৬ শতকের মধ্যে ০৮ শতক আমাদের দখলে রয়েছে এবং আমরা চাষাবাদ করে আসিতেছি । উক্ত জমি প্রতিপক্ষরা জবর দখল করার জোর চেষ্টা করছে। এদিকে উক্ত জমির ৯০ পর্চা ও দলিল জমির মালিক আব্দুল হামিদ গংয়ের নামে রয়েছে। জমির মালিক আব্দুল হামিদগং জানান, প্রতিপক্ষ মৃত্য হাছেন আলীর পুত্র মিজানুর,আপেল,রব্বানী, রবিউলগং রাতের আধারে বসতবাড়ি আগুন লাগিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। এছাড়া বিবাদীরা বাদী ও বাদীর পরিবারের লোকজনকে সুযোগ পেলে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়ে আসছে। এঘটনায় আব্দুল হামিদ লালমনিরহাট আদালতে ১০৭ ধারা একটি মামলা দায়ের করে যার নং২২৯/২৫ ইং তারিখ ০৯/১১/২০২৫ ইং। ওই মামলায় বিবাদীরা ১৬/১১/২০২৫ ইং তারিখে মুচলেখা দিয়েছেন। এদিকে বিবাদীরা জমির মুল মালিকদের নামে ১০৭ ধারা একটি মিথ্যা মামলা করেন। বিবাদীরা মিথ্যা মামলা করায় এলাকায় ঘটনাটি টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। বিবাদীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়ায় আব্দুল হামিদগং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কারণ বিবাদীগন দাঙ্গাবাজ হওয়ায় যে কোন সময় জমির মালিক আব্দুল হামিদগংযের পরিবারদের অকাঙ্খীত ঘটনা ঘটাতে পারে।
লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগরে দলিলভুক্ত কবলাকৃত জমি দখল করে নিয়ার পাঁয়তারা করছে প্রতিপক্ষরা
Date:





