পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পতিত আওয়ামীলীগ সরকার ‘‘পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনটির নাম পরিবর্তন করে তার নাম করণ করেছিল বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশন। এনিয়ে স্থানীয় সাধারন মানুষ ও যাত্রীদের মাঝে ছিল নানা কৌতুহল ও মিশ্রপ্রতিক্রিয়া। যাত্রী সাধারন এই নামের সাথে পরিচিত ছিলনা। জানা যায়, ব্রিটিশ সময়ে র্পাবতীপুর –রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) এবং পরবর্তীতে ১৯৬৭ পূর্বপাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) সময়কালে পঞ্চগড় পর্যন্ত রেলপথটি সম্প্রসারিত হয়।
এরপর হঠাৎ করে পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের সময় ২০১৮ জাতীয় নির্বাচনে পঞ্চগড়-২ আসনে পূনরায় অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন এমপি নির্বাচিত হয়ে সরকারের রেলপথমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর ২০১৯ সালে ‘‘পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন’’ হিসেবে সর্বজন পরিচিত সেটিকে বিলুপ্ত করে বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম হিসেবে নামকরণ করা হয়। এদিকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ (ফেইসবুক) মাধ্যমে বুধবার রাতে রেলপথ মন্ত্রনালয়ের প্রশাসন-২ শাখার হতে সিনিয়র সচিব স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ২৫.২৩ স্বারকে নাম পরিবর্তনের একটি পত্র দেখা যায়। তবে ওই পত্রে তারিখ ২৯ জানুয়ারী ২০২৫ উল্লেখ ছিল। এরই প্রেক্ষিতে পঞ্চগড় জেলায় মানুষের কাছে বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখা দেয়। এদিকে ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে সৌন্দর্য্য বর্ধণের প্রবেশদ্বারটির উপড়ে অংশে লাগানো বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের নাম ও মেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর করে।
পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাষ্টার জাহিদুল ইসলাম বলেন ‘গতকাল (বুধবার) বিভিন্ন ভাবে এবং ফেইসবুকে জানতে পারি ও দেখতে পাই বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম নাম করণ পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে আমরা সেই প্রজ্ঞাপনটি এখনো হাতে পাইনি এবং সার্ভারে ও এখনো নাম পরিবর্তন হয়নি তবে আশা করছি দুই-তিনদিনের মধ্যে সেটি পাবো। এছাড়াও সার্ভারে ‘‘পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন নাম করণ’’ টি আসবে। বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম সিরাজুল ইসলাম সাবেক রেলপথমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজনের বড় ভাই।





