রাসেল মিয়া মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি: “মেয়েকে বাঁচাতে বাবার আকুতি, আছেন কোনও সহৃদয়বান?” এমনই ক্যাপশন দিয়ে ভিডিও লাইভ করার পর বিষয়টি নজরে আসে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নের। তিনি তাৎক্ষণিক মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেন একটা প্রতিনিধি দল। ব্যবস্থা করেন অর্থের ও যোগান দেন রক্তের। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
Rasel Parvez নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে যখন অগ্নিদগ্ধ প্রতিবন্ধী আম্বিয়ার চিকিৎসার অপারগতা ও দরিদ্র বাবার পরিস্থিতির বিষয়ে সরাসরি লাইভ দেখানো হয়, সেই ভিডিওটি নজরে পড়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নের। তৎক্ষণাৎ মহম্মদপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নুর আমিন সিকদার সজীব ও ছাত্রদলের সদস্য সচিব রজব আলী সহ একটি প্রতিনিধিদল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। তারা রবিউল ইসলাম নয়নের পক্ষ থেকে আম্বিয়ার চিকিৎসার জন্য তার বাবার হাতে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এছাড়া আম্বিয়ার শরীরে যত ব্যাগ রক্ত লাগবে তার সকল রক্তের ব্যবস্থাও করেন।
উল্লেখ্য, গত তিন মাস পূর্বে মাগুরার মহম্মদপুরের বালিদিয়া ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের হত দরিদ্র কৃষক নজরুলের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ে আম্বিয়া (১৫) গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে ছিল সে সময় চুলায় আগুন পোহাতে যায়।
হঠাৎ তার শরিরে আগুন লেগে গেলে আম্বিয়ার চিৎকারে সবার ঘুম ভাঙ্গার পর তাকে উদ্ধার করা হয়।
বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার পর এখন আর আম্বিয়ার চিকিৎসা করাতে পারছেন না তার বাবা নজরুল ইসলাম। বাধ্য হয়েই অসহায়ের মত সবার সহযোগীতা কামনা করেছেন।
এরপর বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুক লাইভের ভিডিওটি রবিউল ইসলাম নয়নের নজরে পড়লে তিনি আম্বিয়ার সকল চিকিৎসার ভার গ্রহণ করেন। এছাড়া মহম্মদপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের রোগী কল্যান সমিতি থেকে আম্বিয়াকে ঔষধের যাবতীয় সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।





