Home জাতীয় কারিগরি অধিদপ্তরের অ্যাসেট প্রজেক্টের এপিডি’র দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

কারিগরি অধিদপ্তরের অ্যাসেট প্রজেক্টের এপিডি’র দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

0
কারিগরি অধিদপ্তর অ্যাসেট প্রোজেক্টে কর্মরত এডিপি আব্দুর রহিম অসৎ উপায়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ এর গুরুত্ব অভিযোগ

মাসুম বিল্লাহ সুমন: বিগত সরকারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেইে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তাদের দূর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার বিষয় এখন সকলেরই জানা। তেমনিই বাংলাদেশ কারিগরি অধিদপ্তরের আওতাধীন অ্যাসেট প্রজেক্টের এপিডি আব্দুর রহিম। দূর্নীতি ও অনিয়ম এবং কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদান করা অনুরোধ ও ইতিমধ্যে দূর্নীতির অভিযোগে তাকে বদলি করা হয়।
সূত্রে জানাযায়, ক্ষমতার অপব্যবহার এপিডি’র নেতৃত্বে যে আউটসোর্সিং কোম্পানীগুলোকে দিয়ে তার জন্মস্থান পাবনা আত্মীয়-স্বজনসহ প্রায় আটজনকে চাকরী দিয়েছেন। তাঁকে এই কাজে সহযোগীতার করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায় খোশেদ নামের একজন ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিনিধি। এখানের যত টেন্ডার, বিভিন্ন কাজ তার নির্দেশনা ছাড়া কিছুই হয় না। তাঁর নিয়োগকৃত একজন কমিউনিগেশন কনসালটেন্ট ছিলেন দূর্নীতির অভিযোগে তাকেও অ্যাসেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানাযায়। বর্ণমালা নামক কোম্পানীকে ধর্ম মন্ত্রণালয় একটা প্রজেক্টেও দায়িত্ব দিয়েছিলেন পরবর্তিতে বর্ণমালাকে ব্লাকলিস্ট করা হয় দূর্নীতির কারণে। এপিডি আব্দুর রহিম এখনও ঔ কোম্পানীকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য পায়তারা করছেন।
এই প্রজেক্টেও বেশীরভাগ লোক তার নিজের এলাকার, আত্মীয় স্বজন ও এলাকার লোকজনের কাছে থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে সে এখানে চাকরী দিয়েছেন বলে জানাযায়।
তাকে এই কাজে সার্বিক সহযোগীতা করেছেন ডিপিডি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং প্রকোপমেন্ট মাজারসহ আরো অনেকেই জড়িত আছেন। এখানে প্রকোপমেন্ট থেকে শুরু করে একাউন্স সমস্ত জায়গা তার নিদের্শনা তার লোক বসানো হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের যে প্রতিনিধি অ্যাসেট প্রজেক্টে আছেন এবং রাকিবুল ইসলাম ডিপিডি ও শরিফুল ইসলামকে যাছাই করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন।
হাতিল থেকে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা এপিডি হাতিলের ম্যানেজার কাকলীর কাছ থেকে নিয়েছেন বলে অফিসে চাউর আছে। ইভেন্ট এক্স পিডিও এ বিষয়ে জানেন এবং তাঁকে হাতেনাতে ধরেছেন। অ্যাসেট প্রজেক্ট অফিসের বিষয়টা সবারই জানা। একাউন্সের মাজাহার ও শিহাব দূর্নীতি সাহায্য করে এবং ডিপিডি-রাকিব ও শরিফুল এপিডিকে যত অপকর্ম করিয়ে দেন এবং সহায়তা করেন এবং আরপিএল ও শর্ট কোর্সের বিভিন্ন কোম্পানী থেকে কাজ দিয়ে ও শর্ট কোর্সের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে অনেকের কাছ থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার উপরে কালেকশন করেছেন। এগুলো বিস্তর তদন্ত করলে রেরিয়ে আসবে। আরপিএল থেকে প্রত্যেক ব্যাচ এ ১০ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন জানা মতে এপিডি রহিম ও অনেকে মিলে, ইভিটি থেকে ভিজিট বাবদ প্রত্যেক কোম্পানী থেকে ৫/৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। একই মন্ত্রণালয় প্রায় ১৩ বছর ধরে অবস্থান করছেন এবং বদলী নেননা শুধু দূর্নীতি করার জন্য অ্যাসেট প্রজেক্ট ৩ বছর ধরে রয়েছেন এবং দূর্নীতির কারণে তাকে বদলী করা হয়েছে। তাকে বদলী না করে ওএসডি করে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হোক।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version