কখন রাজনৈতিক নেতা, কখন ইঞ্জিনিয়ার, কখন সাংবাদিক, কখন কারো স্বামী, কখন সরকার টিভি চ্যানেলের পরিচয়ে দুই দুইটি মামলার ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে কুমিল্লা বি-পড়া থানার ভুয়া সরকার টিভির মালিক এমদাদুল হক”র ভয়াবহ প্রতারণার ফাঁদ থেকে রেহাই পায়নি তার স্ত্রী সন্তান সহ স্ত্রী”র বান্ধবী পর্যন্ত। এমদাদুল হক ওরফে এমদাদুল সরকার কুমিল্লা জেলার বি-পড়া থানার হুড়ার পাড় মুখলেছুর রহমান”র ছেলে।
সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায় যে এমদাদুল হক বাংলাদেশ সরকার ও সরকারের লগো ব্যবহার করে কেবলই মাত্র একটি ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে শুরু করেছেন প্রতারণার ফাঁদ। বাংলাদেশ সরকারের লগো ব্যবহার করে সরকার টিভি, সরকার ইলেকট্রিক দোকান, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান, সরকারি ইঞ্জিনিয়ার, আবার তিনি সরকারি সাংবাদিক বলে ক্ষান্ত নহে আওয়ামী লীগ আমলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সক্ষমতা রেখে নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা বলেও দাবি করতেন এখন স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার পতনের পর নিজেকে মামলা থেকে বাঁচাতে ও অপকর্ম করতে নিজে এখন বিএনপির নেতাদের সাথে মিশতে এখন আবার নিজেকে বিএনপির নেতা বলেও দাবি করেছেন এমদাদুল হক।

এমদাদুল হক ওরফে সরকারি সাংবাদিক বিষয়ে সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায় যে তার ফেইসবুকে ও বিভিন্ন জনকে দেওয়া ভিজিটিং কার্ডে দেওয়া ইঞ্জিনিয়ার, ইলেকট্রিক দোকান, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান, সরকার টিভির ঠিকানা সহ সবই ভূয়া। এমদাদুল হক এর এই ভূয়া বাজির ফাঁদে থেকে রেহাই টুকু পায়নি তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার, দুই বছর বয়সী প্রতিবন্ধী সন্তান সাখাওয়াত রাফি পর্যন্ত। শিশু বাচ্চা সাখাওয়াত রাফির বরন পোষণের জন্যেও একাধিক মামলা করেও তেমন কোনো সুফল পাচ্ছেন না স্বপ্না আক্তার। তিনি আরও বলেন সন্তানের ভরন পোষণ সহ নিজের অধিকার আদায়ের জন্য ৮টি মামলা করলেও তেমন কোন সমাধান পাচ্ছেন না এছাড়াও পরকীয়া সক্ত এমদাদুল হক তার বান্ধবীর সাথেও সম্পর্কে জড়াতে নানান ভাবে বিরক্ত করতেন। ভূয়া সাংবাদিক, সরকার টিভি ও ইঞ্জিনিয়ার মাত্র ৫ম শ্রেণি পাশ হয়ে নিজেকে সরকারি সাংবাদিক ও সরকার টিভির মালিক পরিচয়ে প্রতারণা করে যাচ্ছেন একের পর এক মূলত এমদাদুল হক ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। স্ত্রী স্বপ্নার সন্তানের বরণ পোষণের মামলাসহ দুই মামলার ওয়ারেন্ট থাকলেও এমদাদুল হক”কে প্রশাসন গ্রেফতার করছেন না!
এমদাদুল হক এখন এখন নিজেকে সরকারি সাংবাদিক পরিচয় দিতে স্থানীয় কিছু সাংবাদিকদের সোর্স হিসেবে কাজ করেন কিন্তু বাহিরে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন! এছাড়াও সে এখন বিএনপির মিছিল মিটিং এতেও যাচ্ছেন তার ফেইসবুকেও ছবি আপলোড দিয়ে নিজেকে বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এমদাদুল হক জুলাই আগস্টের সময় আওয়ামী লীগের সাথে ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি! উক্ত বিষয়ে জানতে ভূয়া সরকারি সাংবাদিক এমদাদুল হক”কে তার মুঠোফোনে করে বক্তব্য জানতে চাইতে সে সাংবাদিক হয়ে অন্য সাংবাদিকের কাছে কোন বিষয়ে কথা বলতে রাজিনন বলে ভুয়া সরকারি সাংবাদিক এমদাদুল হক লাইনটি কেটে দিয়ে প্রমাণ করেন তার ভুয়া বাজির বিষয়টি।
সচেতন মহল এমদাদুল দুই মামলার ওয়ারেন্ট নিয়ে প্রকাশে বাতাস লাগিয়ে ঘুরার বিষয়টি নিয়ে হতাশ। অবিলম্বে আমদাদুল হক ওরফে এমদাদুল সরকারকে দ্রুত আইনের আওতাধীন আনার দাবি জানিয়েছেন।





