Home প্রযুক্তি ঢাবি-এ ১১তম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু

ঢাবি-এ ১১তম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু

0
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে দু’দিনব্যাপী ১১তম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ বিতর্ক প্রতিযোগিতা আজ ১৩ মে ২০২৪ সোমবার শুরু হয়েছে । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। (ছবি: ঢাবি জনসংযোগ)
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ‘করবো ভূমি পুনরুদ্ধার, রুখবো মরুময়তা, অর্জন করতে হবে মোদের খরা সহনশীলতা’ স্লোগানকে ধারণ করে দু’দিনব্যাপী ১১তম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ বিতর্ক প্রতিযোগিতা আজ ১৩ মে ২০২৪ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস) এবং পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নিলুফার পারভীন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন, স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, ডিইউডিএস-এর মডারেটর অধ্যাপক ড. এস এম শামীম রেজা, শহীদুল্লাহ্ হল ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ডিইউডিএস-এর সভাপতি অর্পিতা গোলদার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সাধারণ সম্পাদক আদনান মুস্তারী অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, দেশে জনসংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের বাসযোগ্য ভূমি কমে যাচ্ছে। এর ফলে মানুষ বাধ্য হচ্ছে বনাঞ্চল উজাড় করতে ও গাছপালা কেটে ফেলতে। এ চিত্র শুধু বাংলাদেশে নয় পুরো বিশ্ব জুড়েই দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশে দ্রুত শিল্পায়ন ঘটছে। এসব কারণে পরিবেশ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশের সার্বিক উন্নয়নে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে পরিবেশ বান্ধব প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে পরিবেশ বান্ধব ও একটি সুন্দর বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব। এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে এবং নীতিনির্ধারকসহ সংশ্লিষ্টদের কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে পরিবেশ, জলবায়ু, তাপপ্রবাহ, দুর্যোগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে দেশের ১৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিতরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version