Home সারাদেশ জুড়ী উপজেলার ভারতীয় সীমান্তের জিরো পয়েন্টে সর্বধর্মীয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

জুড়ী উপজেলার ভারতীয় সীমান্তের জিরো পয়েন্টে সর্বধর্মীয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

0

ইসমাইল মাহমুদ,  নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের অপপ্রচার, আগরতলা ও ত্রিপুরায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনে উগ্রবাদীদের হামলা এবং সীমান্ত হত্যার বিরুদ্ধে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বটুলি এলাকায় ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় সর্ব ধর্মীয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাধারণ ছাত্র-জনতা। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ভারতীয় সীমান্তের দিকে যান বিক্ষোভকারীরা। এসময় সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যারিকেড দিলে ওই ব্যারিকেডের সামনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা।

জুড়ী উপজেলার ৭ নম্বর ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রম্যান আব্দুল আলিম শেলুর সভাপতিত্বে ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. তারেক মিয়ার সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুর রহমান, সাগরনাল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শরফ উদ্দিন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জায়ফরনগর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি রতীশ চন্দ্র দাশ, ফুলতলা ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন মল্লিক, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ফুলতলা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মিলন চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক আতিতোষ রায় পাপ্পু, ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ইমতিয়াজ আহমদ মারুফ, এলবিনটিলা খাসিয়া পান পুঞ্জির মন্ত্রী (হেডম্যান) এনথনি পাটোয়াট, ফুলতলা জামে মসজিদের ইমাম সাইফুল ইসলাম সাদী, ফুলতলা চা বাগানের পুরোহিত রাজেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে, জুড়ী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইমরানুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, সদস্য হারিছ মোহাম্মদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুজিবুর রহমান আজিজি, মাওলানা আব্দুল মছব্বির, জামাল উদ্দিন সেলিম, মাস্টার মোস্তাকিম আলী, গাংকুল পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক দিবাকর দাস, ফুলতলা বশিরউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক পিংকু চন্দ্র পাল, সরস্বতী বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক উজ্জ্বল চন্দ্র পাল, ছাত্র প্রতিনিধি আফজাল হোসেন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘ভারতের মিডিয়া বাংলাদেশকে নিয়ে প্রতিনিয়ত ভিত্তিহীন ও বানোয়াট খবর প্রচার করে চলেছে। এগুলো বন্ধ না হলে উভয় দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এতো অপপ্রচারের পরেও বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে, এই সম্প্রীতি ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমরা হিন্দুু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সেটা আমাদের ধর্মীয় পরিচয়। কিন্তু আমাদের জাতিগত পরিচয় আমরা বাংলাদেশী এবং আমরা বাঙালি। আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকলেই কঠোরভাবে ঐক্যবদ্ধ। দেশ ও জাতির কল্যাণে যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সদা প্রস্তুত।’

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version