Home জাতীয় স্ত্রীকে ধর্ষণ করায় ধর্ষণকারী কে স্বামী নিজেই হত্যা করলেন

স্ত্রীকে ধর্ষণ করায় ধর্ষণকারী কে স্বামী নিজেই হত্যা করলেন

0

হৃদয় রায় সজীব (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: নেত্রকোনার কলমাকান্দায় রাজীব তালুকদার (৩৮) নামে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দীপ ভৌমিক (২৭) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়ের গোবিন্দপুর গ্রামের একটি মাটির রাস্তার পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে অসংখ্য ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

লাশ উদ্ধারের পর দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, স্ত্রীকে ধর্ষণ করার প্রতিশোধ নিতেই রাজিবকে হত্যা করে দীপ ভৌমিক। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানিয়েছে দীপ। পরে তার দেওয়া তথ্য হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাজিবের পরিবারের লোকজন জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে একটি ফোন কলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান রাজিব। পরে সকালে গোবিন্দপুর গ্রামের একটি মাটির রাস্তার পাশে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী।

কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত রাজিব উপজেলার ইউপি বড়খাপন ইউনিয়নের বাউসারী গ্রামের রামকৃষ্ণ তালুকদারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজীব এলাকায় চুরি করে বেড়াত। তার বিরুদ্ধে চুরির মামলা রয়েছে। এছাড়া এলাকার মেয়েদের উত্যক্ত করতো। দীপ ভৌমিকের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে রাজিব। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিশোধ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতে রাজিবকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে লাশ গ্রামের নির্জন এলাকায় ফেলে রাখে। সকালে এলাকার লোকজন লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

ওসি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, লাশ উদ্ধারের পরপরই সন্দেহ জনক ভাবে দীপ ভৌমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে হত্যার বিষয়টি স্বীকার দীপ জানায়- তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছিল রাজিব। বিষয়টি জানার পর রাজিবের ওপর প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পনা করে দীপ। এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মোবাইলফোনে কল করে রাজিবকে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।

তিনি আরও বলেন, দীপের দেখানো জায়গা থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version